সর্বশেষ:
News Image চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি : মির্জা আব্বাস News Image ভারতে নিপাহ ভাইরাস আতঙ্ক, এশিয়াজুড়ে সতর্কতা News Image নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ফের ডিম নিক্ষেপ News Image একাত্তরের বন্ধু বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি মারা গেছেন News Image গ্রেটার নোয়াখালীর সাথে রয়েছে একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক: তারেক রহমান News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
০৯ জুন ২০২৪, ০৭:৫০ এএম

মোট পঠিত: ৩৩৬

ঘোষিত বাজেট শুধু গণবিরোধী নয়, দেশবিরোধীও : বিএনপি

Babul K.
ঘোষিত বাজেট শুধু গণবিরোধী নয়, দেশবিরোধীও : বিএনপি
রাজনীতি

২০২৪-২৫ অর্থবছরের ঘোষিত বাজেট সম্পর্কে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ বাজেট শুধু গণবিরোধী নয়, দেশবিরোধীও। রোববার (৯ জুন) বিকেলে গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নতুন বাজেট সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি।



মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জনসাধারণের ম্যান্ডেট ছাড়াই বছরের পর বছর ধরে একটি অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা আঁকড়ে রয়েছে। যে সরকার নিজেই আইন-কানুন ও সংবিধান লঙ্ঘন করে ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ডামি সংসদ বানিয়েছে, এমন সরকারের পক্ষে বাজেট দেয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।’


তিনি বলেন, ‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। অথচ সেই জনগণই ভোট দিতে পারেনি। এ সরকার জনপ্রতিনিধিত্বহীন একটি অবৈধ সরকার।’



বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য এ সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট দেশের সাধারণ দরিদ্র মানুষদের শোষণের লক্ষ্যে একটি সাজানো হাতিয়ার মাত্র। বর্তমান লুটেরা সরকারের এ বাজেট কেবলমাত্র দেশের গুটিকয়েক অলিগার্কের জন্য, যারা শুধু চুরিই করছে না, তারা ব্যবসা করছে, তারাই পলিসি প্রণয়ন করছে, আবার তারাই পুরো দেশ চালাচ্ছে। দেশ আজ দেউলিয়াত্বের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে। এই বাজেট কল্পনার এক ফানুস। এই বাজেট ফোকলা অর্থনীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।’

তিনি বলেন, ‘বাজেট প্রণয়নের জন্য যে সম্পদ প্রয়োজন, সেটাই এ অলিগার্করা লুট করে নিয়েছে। ব্যাংকগুলো খালি। সরকারের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে অলিগার্করা ঋণ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে শূন্য করে দিয়েছে। এ অর্থের সিংহভাগই বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। আমানতকারীরা ব্যাংকে তাদের নিজস্ব জমাকৃত অর্থের চেক ক্যাশ করতে পারছে না। মানুষের মধ্যে নজিরবিহীন হাহাকার দেখা দিয়েছে। তবে এই হাহাকার সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট ও সুবিধাভোগী নব্য ধনীদের জন্য নয়। সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে দিব্যি ভালো আছে তারা। আর অন্যদিকে গরিব আরো গরীব হচ্ছে।’



‘এদিকে বাংলাদেশের রিজার্ভের অবস্থা তলানিতে চলে গেছে। তিন মাসের আমদানি ব্যয় মিটানোর মতো ডলার রিজার্ভে নেই। ডলারের অভাবে ব্যবসায়-বাণিজ্যে অচলাবস্থা চলছে। দেনা বাড়তে বাড়তে এমন হয়েছে, সেই দেনা শোধ করতেই বাজেটের বড় একটা অংশ চলে যাচ্ছে। তারা বিদ্যুৎ চুরি করবে আর সাধারণ মানুষকে বিদ্যুতের অসহনীয় বিল পরিশোধ করতে হবে। পানি ও গ্যাসের বেলায়ও একই অবস্থা।’


তিনি আরো বলেন, ‘তথাকথিত এই বাজেট বাস্তবায়নে যে অর্থ লাগবে সেটা সংকুলানেরও প্রস্তাব করা হয়েছে জনগণের উপর করের বোঝা চাপিয়ে। এ বাজেট করনির্ভর, এ বাজেট ঋণনির্ভর, এ বাজেট লুটেরাবান্ধব। অসহনীয় মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ জনগণের ত্রাহি অবস্থা, এর ওপর বাজেটে করের বোঝা। জবাবদিহিতাহীন এ সরকারের কাছ থেকে জনকল্যাণমূলক বাজেট আশা করাটাই বোকামি। এই বাজেট দেশী-বিদেশী ঋণ ও সাধারণ জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়া করের নির্লজ্জ ফিরিস্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। এই বাজেট একদিকে সর্বগ্রাসী দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ধ্বংসপ্রায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং অন্যদিকে গণমানুষের অর্থনৈতিক দুরবস্থার সাথে এক নিষ্ঠুর তামাশা মাত্র। জনগণের সাথে এক করুণ ও হৃদয়বিদারক প্রতারণাই বটে।’



বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ লুটেরাদের কবলে। প্রস্তাবিত বাজেট নিজেদের চুরি হালাল করার ধান্দাবাজির বাজেট। এই বাজেটে দেশের অর্থ নতুনভাবে লুটপাটের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আয়ের চেয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে অনেক বেশি। অথচ পুরো বোঝাটা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে সাধারণ মানুষের ওপরে। ঋণ ও ঘাটতিভিত্তিক বড় বাজেট অতীতে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, আগামীতেও হবে না। একটি অনির্বাচিত সরকারের ওপর করদাতারা আস্থা রাখে না। এ বছর আগের ১২ বিলিয়ন ডলারের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ঋণের সুদ পরিশোধ করতে হবে।’


‘এই বাজেট আসলে শূন্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটির মধ্যে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটিই ঘাটতি। অর্থাৎ বাজেটের এক-তৃতীয়াশংই ঘাটতি যা মেটানোর প্রস্তাব করা হয়েছে অভ্যন্তরীণ দেড় লাখ কোটি ও বৈদেশিক এক লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে। ঋণ দিয়ে ঋণ পরিশোধের ফন্দি। আটকে পড়বে আরো গভীর ঋণফাঁদে। এহেন অবস্থায় বছর শেষে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়তে বাধ্য। মাশুল তো আর সরকার বা সরকারের সুবিধাভোগীদের দিতে হবে না, বোঝাটা পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর। অসহায় ও নিরীহ দরিদ্র মানুষ মাথা কুটে মরবে।’



তিনি বলেন, ‘এই বাজেটে কর্মসংস্থান তৈরির কোনো দিকনির্দেশনা নেই। ডলার সংকটের কথা বলে আমদানি সংকুচিত করায় ক্যাপিটাল মেশিনারিস এবং র’ মেটারিয়ালস আমদানি প্রায় অবরুদ্ধ। যার ফলে শিল্প-কারখানা বন্ধের পথে। ব্যাংকগুলো শূন্য। সুদের হার অনেক বেশি। সরকার নিজেই ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ নেয়ায় বেসরকারি সেক্টরে ঋণ প্রাপ্তির সুযোগ কমে গেছে। যার ফলে বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়েছে। ডিএফআই-ও (ডাইরেক্ট ফরেইন ইনভেস্টমেন্ট) শূন্যের কোঠায়।’


‘তিন হাজারের বেশি শিল্প বিশেষ করে গার্মেন্টসশিল্প বন্ধ হয়ে গেছে ও যাচ্ছে। নতুন কর্মসংস্থান তো হচ্ছেই না, হাজার হাজার শ্রমিক গ্রামে চলে গেছে ও যাচ্ছে। কিন্তু গ্রামে তো কর্মের সংস্থান নেই। মানুষের ত্রাহি অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ বাজেটে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির কোনো আশা নেই। বাজেটে চাকরি হারানো এবং দুর্দশাগ্রস্ত শ্রমিকদের জন্য কোনো পুনর্বাসন রোডম্যাপ নেই। বাজেট বক্তৃতায় সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো উন্নয়নের ব্যবস্থা নেয়া হবে বলা হলেও তার বাস্তবিক কোনো পথনির্দেশনাই নেই এই বাজেটে।’


মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই বাজেট শুধু গণবিরোধী নয়, এ বাজেট বাংলাদেশ বিরোধী। যে গণমানুষকে নিয়ে বাংলাদেশ, সেই গণমানুষের অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়েছে। পুরো বাজেটটিই করা হয়েছে মেগাপ্রকল্প ও মেগাচুরির জন্য, দুর্নীতি করার জন্য। অর্থনীতির এই ত্রিশঙ্কুল অবস্থায় উচিত ছিল অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রকল্পসমূহ বা অর্থহীন, অনুৎপাদক দৃশ্যমান অবকাঠামোগুলো বন্ধ রাখা। সেই অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমুখী খাতে ব্যবহার করা যেত, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি আরো সম্প্রসারিত করা যেত। কিন্তু সেগুলো বন্ধ করলে তো দুর্নীতির পথ বন্ধ হয়ে যাবে! তাই বোধগম্য কারণেই সেটা করা হয়নি।’



তিনি বলেন, ‘এই বাজেট কালো টাকাকে সাদা করার বাজেট। কালো টাকায় ঢালাও দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। ১৫% কর দিয়ে ব্যক্তির সাথে যে কোনো কোম্পানিকেও কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। সরকারের কোনো সংস্থাই কালোটাকা সাদাকারীদের কোনো ধরনের প্রশ্ন করতে পারবে না। অর্থাৎ দায়মুক্তি বা আইনি ছাড় দেয়া হলো। এর ফলে সৎ ও বৈধ আয়ের করদাতাদের নিরুৎসাহিত এবং দুর্নীতিকে সরকারিভাবে উৎসাহিত করা হলো। দুর্নীতি করার এহেন লাইসেন্স প্রদান অবৈধ, অনৈতিক ও অসাংবিধানিক।’


‘১৫% করে কালোটাকা সাদা করার বিপরীতে সৎ করদাতাদের সর্বোচ্চ ৩০% হারে কর দেয়ার বিধান বৈষম্যমূলক ও অসাংবিধানিক। এই পদক্ষেপ সংবিধানের ২০(২) অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।’


তিনি আরো বলেন, ‘কথায় কথায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্সের’ বুলি যারা আওড়ায় তাদের পক্ষে রাজস্ব বৃদ্ধির খোড়া যুক্তিতে দুর্নীতির বৈধ লাইসেন্স প্রদান যে অনৈতিক ও সাংঘর্ষিক— তা জেনেশুনেই দুর্নীতিবাজ সরকার অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীদের দুর্নীতির এই লাইসেন্স দিচ্ছে। সরকারের আনুকূল্যে বেড়ে ওঠা আজিজ-বেনজীরদের মতো দুর্নীতিবাজদের কালো টাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ সৃষ্টির জন্যই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে এই অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কিছু রাজস্ব আদায় হলেও এতে সার্বিকভাবে রাজস্ব আহরণ ব্যাহত হবে। এই বাজেট দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ দখলদার আওয়ামী সরকার ও তাদের মাফিয়া গুরুদের মাঝে ভাগাভাগির এক সুনির্দিষ্ট ইজারাপত্র মাত্র।’


বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এটি স্পষ্ট যে বাজেটটি এমন কতিপয় ব্যক্তির মুনাফার জন্য প্রণীত হয়েছে যারা এই অবৈধ সরকারকে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে সাহায্য করছে। এর কুফল শুধু আগামী বছর নয়, আগামী দশকেও এ জাতিকে বহন করতে হবে।’



তিনি বলেন, ‘চতুর্দিক থেকে সর্বগ্রাসী দুর্নীতি বাংলাদেশকে কব্জা করে ফেলেছে। দেশ এক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মহাসংকটে নিপতিত। এর মূল কারণ সুশাসনের অভাব ও জবাবদিহিহীন এই মাফিয়া সরকার। এই মহাসংকট থেকে উত্তোরণের একটিই উপায়। আর তা হচ্ছে এই মাফিয়া চক্র এবং চেপে বসা মাফিয়া স্বৈরশাসকের কবল থেকে দেশকে রক্ষা করা, তাদের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের স্থায়ী অবসান ঘটানো।’


‘দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে, দুঃশাসন ও সীমাহীন দুর্নীতি থেকে জনগণকে উদ্ধার করতে হবে। দেশে অবিলম্বে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেটা একমাত্র সম্ভব একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে,’ বলেন মির্জা ফখরুল।


তিনি আরো বলেন, ‘আগে উন্নয়ন, পরে গণতন্ত্র’- এই ধাপ্পাবাজির অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্রকামী ১৮ কোটি মানুষকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের অবাধ ও নিরপেক্ষ সুযোগ সৃষ্টি করতেই হবে।


বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গণতন্ত্র, সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা ছিনিয়ে এনেছি স্বাধীনতা, যেকোনো মূল্যে সে গণতন্ত্র আমরা ফিরিয়ে আনবই ইনশাআল্লাহ।’


তিনি বলেন, ‘এ দেশে আবার সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনম্যান্ডেট সমর্থিত জাতীয় সংসদে আবার জনকল্যাণ ও মানবকল্যাণমূলক বাজেট প্রণীত হবে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অর্থনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য। বাংলাদেশের জনগণের কাছে এটা বিএনপির দৃঢ় অঙ্গীকার।’


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo