সর্বশেষ:
News Image চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি : মির্জা আব্বাস News Image ভারতে নিপাহ ভাইরাস আতঙ্ক, এশিয়াজুড়ে সতর্কতা News Image নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ফের ডিম নিক্ষেপ News Image একাত্তরের বন্ধু বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি মারা গেছেন News Image গ্রেটার নোয়াখালীর সাথে রয়েছে একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক: তারেক রহমান News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
১৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম

মোট পঠিত: ২৮

ফ্রান্সকে বিদায় করে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

Babul K.
ফ্রান্সকে বিদায় করে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন
খেলা

টুনামেন্ট ফেবারিট ফ্রান্সকে ২-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। ২০১০ সালের বিশ্বকাপ বিজয়ীরা এর মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জণ করলো। বিপরীতে লেস ব্লুজদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। 

মিকেল ওয়ারজাবালের প্রথমার্ধের পেনাল্টির সাথে ৫৮ মিনিটে পেড্রো পেরোর গোলে আর্লিংটনের এটিএন্ডটি স্টেডিয়ামে ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের জয় নিশ্চিত হয়। 

পুরো টুর্ণামেন্ট জুড়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর ফ্রান্স আসরের অন্যতম ফেবারিট হিসেবে এই মহারণে নেমেছিল। কিন্তু অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে, ব্যালন ডি'অর জয়ী ওসমানে ডেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও মাইকেল ওলিসেকে নিয়ে গঠিত ফ্রান্সের বহুল প্রশংসিত আক্রমণভাগ স্পেনের পরিমিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবলের সামনে পুরোপুরি নিষ্প্রভ হয়ে যায়।

টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দুই দলের মহারণ দেখতে সেমিফাইনালের আগে থেকে বেশ আলোচনা চলছিল। কিন্তু ফ্রান্সের আজকের পারফরমেন্সে মোটেই ফেবারিটের কোন ছাপ দেখা যায়নি। 

প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে আগের দুই দেখাতেই ফ্রান্সকে হারানো স্পেন ম্যাচের আগে থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার প্রতিশ্রুত দিয়েছি। মাঠে নেমে তারা সেই কথারই বাস্তব প্রমাণ দেয়।

ম্যানচেস্টার সিটির তারকা রদ্রির নেতৃত্বে, ফাবিয়ান রুইজ ও ডানি ওলমোর সহায়তায় স্পেনের মিডফিল্ড এতটাই আধিপত্য বিস্তার করেছিল যে, ফরাসিরা ম্যাচে কখনোই নিজেদের ছন্দ খুঁজে পায়নি।

স্পেনের মিডফিল্ড শুরু থেকেই আদ্রিয়েন রাবিওট ও অরেলিয়ান টিচুয়ামেনিকে নিয়ে গঠিত ফ্রান্সের দুই সদস্যের মিডফিল্ডকে চাপে ফেলে দেয়। সহজে পাস আদান-প্রদান করে তারা ম্যাচের শুরু থেকেই খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।

ফরাসিদের হতাশার প্রথম লক্ষণ দেখা যায় নবম মিনিটে। বক্সের ঠিক বাইরে ওলমোর পায়ে পা লাগানোর অপরাধে মিডফিল্ডার রাবিওট হলুদ কার্ড দেখেন।

তবে শুরুতে স্পেনের একচেটিয়া দাপট সত্ত্বেও ফ্রান্সকেই বেশি বিপজ্জনক মনে হচ্ছিল। ১৬তম মিনিটে এমবাপ্পে যখন একা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, তখন শেষ মুহূর্তে অসাধারণ এক ব্লক করে তাকে গোল করতে দেননি পাও কুবারসি।

অবশেষে ২০তম মিনিটে নিজেদের দাপটের প্রতিদান পেয়ে যায় স্পেন। মার্ক কুকুরেলার ভাসানো একটি ক্রস পেনাল্টি এলাকার মধ্যে লুকা দিনিয়ের ক্লিয়ার করতে পারেননি। অ্যাস্টন ভিলার এই ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার করতে স্বাভাবিক ভাবেই পা বাড়ালে তা লামিন ইয়ামালের পায়ে লাগে এবং বার্সেলোনার এই তরুণ তারকা মাটিতে পড়ে যান।

এল সালভাদরের রেফারি ইভান বার্টন সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। মিকেল ওয়ারজাবাল স্পট-কিক থেকে দারুণ শটে বল জালে পাঠান। ফ্রান্স গোলরক্ষক মাইক মেইগনান সঠিক দিকে ঝাঁপালেও বল ঠেকাতে পারেননি।

৩১তম মিনিটে ফ্রান্সের দুর্ভাগ্য আরও বাড়ে। দলের গুরুত্বপূর্ণ সেন্টার-ব্যাক উইলিয়াম সালিবা চোট পেয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন, তার জায়গায় নামেন ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া।

৩৮তম মিনিটে অসাধারণ এক পাসিং মুভ থেকে ব্যবধান প্রায় দ্বিগুণ করে ফেলেছিল স্পেন। বক্সের সামনে দ্রুত ও নিখুঁত পাস বিনিময়ে ফ্রান্সের রক্ষণ ভেঙ্গে ফেললেও, ডায়ো উপামেকানোর ব্লকে ফাবিয়ান রুইজ গোল বঞ্চিত হন।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ফ্রান্স তাদের সেরা সময় কাটায়। রাবিওটের চমৎকার থ্রু পাস থেকে এমবাপ্পে গোলের সুযোগ পেলেও স্পেন গোলরক্ষক উনাই সিমনের দুর্দান্ত দক্ষতায় গোল করা সম্ভব হয়নি।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্পেন। ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশ্যম কৌশলে কোনো কার্যকর পরিবর্তন আনতে না পারায় স্পেনের মিডফিল্ড আবারও পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে।

৫৮তম মিনিটে আসে স্পেনের জয়সূচক গোল। পেড্রো পোরো ও ডানি ওলমোর দুর্দান্ত ওয়ান-টু পাসে পোরো ডিফেন্স ভেদ করে এগিয়ে যান। টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডার নিখুঁত ফিনিশে মেইগনানকে পরাস্ত কওে বল জালে জড়ান।

৬১তম মিনিটে লামিন ইয়ামাল বল জালে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু খুব অল্পের জন্য অফসাইডের কারনে গোলটি বাতিল হয়ে যায়।

এরপর দেশ্যম একের পর এক বদলি খেলোয়াড় নামালেও স্পেনের শক্ত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি ফ্রান্স। তাদের সেরা সুযোগ পেয়েছিলেন এমবাপ্পে। কিন্তু পোস্টেও কাছ থেকে তার শটটি সিমন রুখে দেন।

ম্যাচের শেষ দিকে এমবাপ্পের হতাশাই যেন ফ্রান্সের সার্বিক হতাশার প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। সিমনের ওপর ট্যাকল করায় তিনি হলুদ কার্ড দেখেন। 


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo