সর্বশেষ:
News Image চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি : মির্জা আব্বাস News Image ভারতে নিপাহ ভাইরাস আতঙ্ক, এশিয়াজুড়ে সতর্কতা News Image নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ফের ডিম নিক্ষেপ News Image একাত্তরের বন্ধু বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি মারা গেছেন News Image গ্রেটার নোয়াখালীর সাথে রয়েছে একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক: তারেক রহমান News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম

মোট পঠিত:

ডিমের ডজনে কমল ১০ টাকা, ৬০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে বেশিরভাগ সবজি

Babul K.
ডিমের ডজনে কমল ১০ টাকা, ৬০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে বেশিরভাগ সবজি
ব্যবসা বানিজ্য

রাজধানীর বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। এক ডজন ডিম এখন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা কম। মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। তবে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশিরভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজির মধ্যে বিক্রি হলেও মৌসুম শুরু না হওয়ায় শিমের দাম উঠেছে ২০০ টাকায়। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে মাছ, মাংস, ডিম ও সবজির দামের এমন চিত্র পাওয়া গেছে। বাজারে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হওয়া এক ডজন ডিম এখন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ ডজনে দাম কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। মাছের বাজারে অবশ্য বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। বিক্রেতারা বলছেন, কোনো কোনো মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়ছে, আবার কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমছে। এমনকি একই দিনে সকাল ও বিকেলে মাছের দামে পার্থক্য দেখা যায়। চাষের পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকায়। মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং পোয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শোলের দাম প্রায় ৭০০ টাকা এবং আকারভেদে চাষের শিং ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের ক্ষেত্রে কেজিপ্রতি দাম হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। পাঙাশ কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক মাস আগেও পাঙাশ ১৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যেত। এখন তা ২০০ টাকার নিচে নেই। তেলাপিয়ার দামও কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৬০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে কেজি ২৬০ টাকা দরে তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারেও বড় পরিবর্তন নেই। গরুর মাংস কেজি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগির মধ্যে ব্রয়লারের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে কেজি ২০০ টাকা থাকলেও শুক্রবার বিভিন্ন বাজারে ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। শুক্রবার ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই রয়েছে, কেজি ৩২০ টাকা। মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, মাছের দাম মোটামুটি আগের মতোই আছে। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। বাজারে মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। সকালে যে দাম থাকে, বিকেলে সেটি আবার বদলে যায়। সবজিতে কিছুটা স্বস্তি টানা বৃষ্টির কারণে কয়েক সপ্তাহ আগে সবজির দাম অনেক বেড়ে গেলেও গত দুই সপ্তাহ ধরে তা কমতে শুরু করেছে। এখন বেশিরভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজির মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তবে শিমের মৌসুম এখনো শুরু না হওয়ায় এটি বাজারের সবচেয়ে দামি সবজি। কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবারের বাজারে পটল ৭০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা এবং চিচিঙ্গা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুন ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, শিম ২০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, কচু ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, মুলা ৮০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা। রামপুরা বাজারে বাজার করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী রাজিব আহমেদ বলেন, কিছুদিন আগে সবজির দাম যে পর্যায়ে উঠেছিল, তার তুলনায় এখন দাম কিছুটা কমেছে। তবে শিমের দাম সবচেয়ে বেশি, কেজি ২০০ টাকা। টমেটো ও গাজরের মতো কয়েকটি সবজিও ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্য বেশিরভাগ সবজি ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে সবজির দাম এতটাই বেড়েছিল যে অনেক ক্রেতা আধা কেজি কিংবা ২৫০ গ্রাম করে সবজি কিনতেন। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। বেশিরভাগ সবজির দাম ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। তিনি বলেন, শিমের মৌসুম এখনো শুরু হয়নি বলে এর দাম ২০০ টাকা কেজি। টমেটো ও গাজরেরও মৌসুম না থাকায় এগুলো ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি না হলে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে সবজির দাম ৬০ থেকে ৮০ টাকার ঘরেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান। সব মিলিয়ে রাজধানীর বাজারে ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি এলেও মাছ ও মাংসের দাম এখনো আগের অবস্থাতেই রয়েছে। সবজির বাজারে কয়েক সপ্তাহ আগের তুলনায় দাম কমেছে, তবে শিম, টমেটো, গাজর ও কাঁচা মরিচের মতো কয়েকটি পণ্যের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি।

রাজধানীর বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। এক ডজন ডিম এখন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা কম। মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। তবে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশিরভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজির মধ্যে বিক্রি হলেও মৌসুম শুরু না হওয়ায় শিমের দাম উঠেছে ২০০ টাকায়।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে মাছ, মাংস, ডিম ও সবজির দামের এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

বাজারে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হওয়া এক ডজন ডিম এখন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ ডজনে দাম কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

মাছের বাজারে অবশ্য বড় ধরনের পরিবর্তন নেই। বিক্রেতারা বলছেন, কোনো কোনো মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়ছে, আবার কোনো মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমছে। এমনকি একই দিনে সকাল ও বিকেলে মাছের দামে পার্থক্য দেখা যায়।

চাষের পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকায়। মানভেদে চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং পোয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শোলের দাম প্রায় ৭০০ টাকা এবং আকারভেদে চাষের শিং ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের ক্ষেত্রে কেজিপ্রতি দাম হাজার টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

পাঙাশ কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, কয়েক মাস আগেও পাঙাশ ১৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যেত। এখন তা ২০০ টাকার নিচে নেই। তেলাপিয়ার দামও কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রায় ৬০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে কেজি ২৬০ টাকা দরে তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারেও বড় পরিবর্তন নেই। গরুর মাংস কেজি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির মধ্যে ব্রয়লারের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে কেজি ২০০ টাকা থাকলেও শুক্রবার বিভিন্ন বাজারে ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। শুক্রবার ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই রয়েছে, কেজি ৩২০ টাকা।

মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, মাছের দাম মোটামুটি আগের মতোই আছে। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। বাজারে মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। সকালে যে দাম থাকে, বিকেলে সেটি আবার বদলে যায়।

সবজিতে কিছুটা স্বস্তি

টানা বৃষ্টির কারণে কয়েক সপ্তাহ আগে সবজির দাম অনেক বেড়ে গেলেও গত দুই সপ্তাহ ধরে তা কমতে শুরু করেছে। এখন বেশিরভাগ সবজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজির মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তবে শিমের মৌসুম এখনো শুরু না হওয়ায় এটি বাজারের সবচেয়ে দামি সবজি। কেজি ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবারের বাজারে পটল ৭০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা এবং চিচিঙ্গা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

গোল বেগুন ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, শিম ২০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, কচু ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, মুলা ৮০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৪০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা।

রামপুরা বাজারে বাজার করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী রাজিব আহমেদ বলেন, কিছুদিন আগে সবজির দাম যে পর্যায়ে উঠেছিল, তার তুলনায় এখন দাম কিছুটা কমেছে। তবে শিমের দাম সবচেয়ে বেশি, কেজি ২০০ টাকা। টমেটো ও গাজরের মতো কয়েকটি সবজিও ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্য বেশিরভাগ সবজি ৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে সবজির দাম এতটাই বেড়েছিল যে অনেক ক্রেতা আধা কেজি কিংবা ২৫০ গ্রাম করে সবজি কিনতেন। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। বেশিরভাগ সবজির দাম ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে।

তিনি বলেন, শিমের মৌসুম এখনো শুরু হয়নি বলে এর দাম ২০০ টাকা কেজি। টমেটো ও গাজরেরও মৌসুম না থাকায় এগুলো ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি না হলে এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে সবজির দাম ৬০ থেকে ৮০ টাকার ঘরেই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

সব মিলিয়ে রাজধানীর বাজারে ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি এলেও মাছ ও মাংসের দাম এখনো আগের অবস্থাতেই রয়েছে। সবজির বাজারে কয়েক সপ্তাহ আগের তুলনায় দাম কমেছে, তবে শিম, টমেটো, গাজর ও কাঁচা মরিচের মতো কয়েকটি পণ্যের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি।


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo