সর্বশেষ:
News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন News Image গণমাধ্যমে ঈদের ছুটি ৫ দিন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের দাবি News Image কেবল সাংবাদিকরাই পাবেন অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড : প্রেস সচিব News Image দীপ্ত টিভির সংবাদ প্রচার বন্ধ, ৩ সাংবাদিক চাকরিচ্যুত News Image ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেলেন শফিক রেহমান News Image বিচার নিয়ে এখনও অন্ধকারে সাগর-রুনির পরিবার
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
১৪ মার্চ ২০২৫, ০৪:১৬ এএম

মোট পঠিত: ১৬৬

রোহিঙ্গাদের খাদ্য সংকট এড়াতে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

Babul K.
রোহিঙ্গাদের খাদ্য সংকট এড়াতে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্য সহায়তায় অর্ধেক কমানোর ঘোষণা আসার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সফরের আগে সংস্থাটি এই আহ্বান জানান। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানায় সংস্থাটি।


জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) ৫ মার্চ লিখিতভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য খাবারের বরাদ্দ অর্ধেকের বেশি কমানোর পরিকল্পনার কথা বাংলাদেশকে জানায়। সংস্থাটি বলেছে, জরুরি নতুন তহবিল পাওয়া না গেলে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য মাসিক খাবারের বরাদ্দ আগামী এপ্রিল থেকে সাড়ে ১২ ডলার থেকে ৬ ডলারে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে তারা।


সংস্থাটি বলেছে, আসন্ন মাস থেকে প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর খাদ্য সহায়তা অর্ধেকে কমিয়ে মাসিক মাত্র ৬ ডলারে সীমিত করা হবে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা তথ্যানুসারে, ৯৫% রোহিঙ্গা পরিবার সম্পূর্ণরূপে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। এই সিদ্ধান্তের ফলে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনযাত্রায় চরম সংকট নেমে আসবে।


একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী ডব্লিউএফপি বলেছে, এই অর্থ সংকট সামগ্রিকভাবে তহবিলের ঘাটতির ফলে হয়েছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদেশিক সহায়তা স্থগিতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।


এ বিষয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক স্মৃতি সিং বিবৃতিতে বলেছেন, রোহিঙ্গা শিবিরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও পরিষেবায় এরই মধ্যে যে ভয়াবহ স্বল্পতা চলছে, তহবিল ঘাটতি সেই সংকটে আরও বাড়িয়ে তুলবে। শরণার্থীদের মধ্যে যারা বৈষম্যের শিকার ও যারা আরও প্রান্তিক হওয়ার ঝুঁকিতে আছেন, তারাও ঝুঁকির মুখে পড়বেন। বিশেষ করে শিশু, অন্তঃসত্ত্বা ও প্রবীণ ব্যক্তিদের আরও ঝুঁকিতে ফেলবে।


তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা ডব্লিউএফপির (সহায়তার) ওপর নির্ভর। বাংলাদেশের সরকার তাদের ক্যাম্পের বাইরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়ায় চাকরির সুযোগও সীমিত।


ডব্লিউএফপির খাবারের বরাদ্দ কমানোর ঘোষণার পর অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ছয় রোহিঙ্গা তরুণের সঙ্গে কথা বলেছে। তাদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী মোহাম্মদ আয়েস বলেন, এই খাদ্য সহায়তা আমাদের জন্য তিনবেলার খাবার জোগাতে যথেষ্ট নাও হতে পারে। এমনটা হলে কিছু মানুষকে দৈনিক খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।


১৯ বছর বয়সী সুমাইয়া বলেন, সবাই জানতে চায়, তারা কীভাবে তাদের সন্তানদের খাওয়াবে। আমরা সবাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত আপনার জন্য যদি এই খাবার কম হয়, তাহলে আমাদের জন্যও কম। আমরা সবাই মানুষ।


পরিচালক স্মৃতি সিংহ বলেন, দাতা দেশগুলোকে এ ঘাটতি পূরণের ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে পরিস্থিতি আর খারাপ না হয়। ইতোমধ্যেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী সংকট মোকাবিলা করছে রোহিঙ্গারা। এরমধ্যে তাদের আর ভয়াবহ ক্ষুধা ও নিরাপত্তাহীনতায় ঠেলে দেওয়া ঠিক হবে না।


তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবশ্যই ১৯৫১ সালের জাতিসংঘ শরণার্থী কনভেনশন ও ১৯৬৭ সালের প্রোটোকল অনুমোদন করতে হবে। রোহিঙ্গাদের শ্রমবাজারে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা শুধু টিকে থাকার ওপর নির্ভর না করে বরং চরম হতাশা ও ত্রাণ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারে।


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo