সর্বশেষ:
News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন News Image গণমাধ্যমে ঈদের ছুটি ৫ দিন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের দাবি News Image কেবল সাংবাদিকরাই পাবেন অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড : প্রেস সচিব News Image দীপ্ত টিভির সংবাদ প্রচার বন্ধ, ৩ সাংবাদিক চাকরিচ্যুত News Image ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেলেন শফিক রেহমান News Image বিচার নিয়ে এখনও অন্ধকারে সাগর-রুনির পরিবার
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
২৩ নভেম্বর ২০২৪, ১২:২৪ পিএম

মোট পঠিত: ১৯১

অনুরোধ সত্ত্বেও হাসিনাকে নিতে বিমান পাঠায়নি ভারত, নেপথ্যে যত কারণ

Babul K.
অনুরোধ সত্ত্বেও হাসিনাকে নিতে বিমান পাঠায়নি ভারত, নেপথ্যে যত কারণ
জাতীয়

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জীবন বাঁচাতে মরিয়া হয়ে ভারতকে বিমান পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু ভারত তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছিল। প্রশ্ন উঠছে— কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলো দিল্লি? কূটনৈতিক জটিলতা, আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির শঙ্কা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ—সব মিলে এই অস্বীকৃতি কি পরিকল্পিত কৌশল ছিল? এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ এবং ভারতের সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হয়, যা আজও বহুল আলোচিত।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট দুপুর পর্যন্ত শেখ হাসিনা দফায় দফায় ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি তাদের জানান, ঢাকার পরিস্থিতি তার জন্য নিরাপদ নয় এবং প্রাণ বাঁচাতে তাকে দেশ ছাড়তেই হবে। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালসহ একাধিক কর্মকর্তার কাছে তিনি সরাসরি বিমান পাঠানোর অনুরোধ জানান। হাসিনা বারবার বলেন, “জনগণ ও সেনাবাহিনী আমার বিরুদ্ধে চলে গেছে। এখন প্রাণ বাঁচানোর জন্য আমাকে দিল্লি যেতে হবে।”

হাসিনার অনুরোধের প্রেক্ষিতে দিল্লিতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হয়। আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়, ভারত সরাসরি বিমান পাঠাবে না। তাদের যুক্তি ছিল— এটি করলে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠবে। এমনকি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়েও বিতর্ক হতে পারে।

ভারতীয় নেতারা আরও যুক্তি দেন, বাংলাদেশের ভেতর থেকেই হাসিনার দেশত্যাগের ব্যবস্থা করা হোক। এতে করে দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের ওপর থাকবে এবং ভারতের ওপর সরাসরি কোনো দায় বর্তাবে না।

অপর দিকে, ঢাকায় তখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেনাবাহিনী ও জনতার চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা দেখা দেয়। সেনা কর্মকর্তারা শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেন, হাসিনাকে নিরাপদে দেশত্যাগ করতে দেওয়া হবে। জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বে সেনা কর্মকর্তারা হাসিনার জন্য নিজস্ব বিমানে ব্যবস্থা করেন। এর মাধ্যমে তাকে দ্রুত দিল্লি পাঠানো হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন— ভারতের বিমান না পাঠানোর পেছনে দুটি কারণ ছিল। প্রথমত, তারা বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দেখাতে চেয়েছিল, যেখানে নিজের প্রধানমন্ত্রীকে নিজেরাই নিরাপত্তা দিয়ে পাঠিয়েছে। দ্বিতীয়ত, ভারতের ভেতরেই বাংলাদেশবিরোধী এবং ভারতবিরোধী মনোভাব উস্কে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।

দেশ ছাড়ার আগে শেখ হাসিনা তিন পৃষ্ঠার একটি লেখা তৈরি করেন। ভ্যানিটি ব্যাগে করে সেই লেখা তিনি দিল্লি নিয়ে যান। দিল্লিতে পৌঁছার পর রাত ১২টায় ঢাকায় তার বিশ্বস্ত সহকর্মীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।

এভাবে কূটনৈতিক জটিলতা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে হাসিনা দিল্লি পৌঁছান। তবে ভারতের বিমানের অনুপস্থিতি এবং তাদের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা এখনো থামেনি। এটি কি শুধুই কূটনৈতিক কৌশল, নাকি আরও গভীর কোনো রাজনীতির অংশ? প্রশ্ন রয়ে গেছে। সূত্র: জনতার চোখ (মানবজমিন)


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo