সর্বশেষ:
News Image চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি : মির্জা আব্বাস News Image ভারতে নিপাহ ভাইরাস আতঙ্ক, এশিয়াজুড়ে সতর্কতা News Image নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ফের ডিম নিক্ষেপ News Image একাত্তরের বন্ধু বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি মারা গেছেন News Image গ্রেটার নোয়াখালীর সাথে রয়েছে একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক: তারেক রহমান News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
০৬ জুন ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম

মোট পঠিত: ৩৫

হানি ট্র্যাপে ফেলে মুক্তিপণ নিয়েও হত্যা

Babul K.
হানি ট্র্যাপে ফেলে মুক্তিপণ নিয়েও হত্যা
অপরাধ

ঢাকায় হানি ট্র্যাপে ফেলে এক পাঠাও চালকের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় ও নির্যাতনের হত্যার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। হত্যার পর লাশ গুম করতে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে তুরাগ নদে ফেলে দেওয়া হয়। পরে চালকের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি নিয়ে পালিয়ে যান চক্রের সদস্যরা।

আজ শনিবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তি মো. লোকমান সরদার (৩৮)। তিনি ‘পাঠাও’ ও ‘ইনড্রাইভ’-এর মাধ্যমে ভাড়ায় গাড়ি চালাতেন। এই ঘটনায় কথিত হানি ট্র্যাপ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির লুট হওয়া প্রাইভেট কারটি।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন মো. এস এম সালমান, মো. আদিব ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ওরফে আনিবা জারা ও মো. সবুজ মিয়া।

ঢাকার উত্তরা, তুরাগ, দক্ষিণখান, গাজীপুরের টঙ্গী ও গাছা এবং কক্সবাজারে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন তদন্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সেই সঙ্গে গাজীপুরের গাছা এলাকা থেকে নিহত ব্যক্তির লুট হওয়া প্রাইভেট কারটি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে সালমান আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। এ ছাড়াও হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য পলাতক সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানানো হয়।

পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মে বিকেলে কুড়িলের বাসা থেকে ভাড়ায় গাড়ি চালানোর উদ্দেশ্যে বের হন লোকমান। এরপর তিনি আর বাসায় ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ রাজাবাড়ী ঘাট এলাকায় তুরাগ নদে বস্তাবন্দী একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্বজনেরা খবর পেয়ে মরদেহটি লোকমানের বলে শনাক্ত করেন।

পিবিআই ঢাকা মেট্রোপলিটন উত্তরের তদন্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, চক্রের সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ওরফে আনিবা জারা কৌশলে লোকমানকে টঙ্গীর পাখির বাজার এলাকায় ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে ছিলেন সালমান, আদিব ইসলাম, সবুজ মিয়াসহ কয়েকজন। তাঁরা লোকমানকে আটকে মারধর করে এবং মাদক সেবনের অভিযোগ তুলে তাঁর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করেন।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মুক্তিপণ আদায়ের পরও লোকমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়নি; বরং তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তাঁর হাত-পাসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ ভেঙে যায়। একপর্যায়ে তাঁকে হাত-পা বেঁধে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে তুরাগ নদে ফেলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি ছিনিয়ে নিয়ে যান চক্রের সদস্যরা।

পিবিআইয়ের ভাষ্য, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে কথিত স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন বা বন্ধু পরিচয়ে বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে ‘হানি ট্র্যাপ’ পরিচালনা করত। তরুণ, শিক্ষার্থী, চালকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে টার্গেট করে তারা বাসায় ডেকে নিত। এরপর মাদক সেবন বা অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকাপয়সা ও মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নিত।

পিবিআই ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) এসআই জাকারিয়া আলম বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে অর্থ আদায় ও সর্বস্ব লুট করা। তবে নির্যাতনের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর মৃত্যু হয়। পরে ঘটনাটি গোপন করতে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।’


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo