সর্বশেষ:
News Image চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি : মির্জা আব্বাস News Image ভারতে নিপাহ ভাইরাস আতঙ্ক, এশিয়াজুড়ে সতর্কতা News Image নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ফের ডিম নিক্ষেপ News Image একাত্তরের বন্ধু বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি মারা গেছেন News Image গ্রেটার নোয়াখালীর সাথে রয়েছে একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক: তারেক রহমান News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ পিএম

মোট পঠিত: ২৪

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

Babul K.
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি
অর্থনীতি

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে ৪ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি  হবে বলে অনুমান করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাব ধীরে ধীরে কমে যাবে।

শুক্রবার প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকে (এডিও) এমন প্রাক্কলন রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ৩.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পর বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪.০ শতাংশ এবং আাগামী  অর্থবছরে ৪.৭ শতাংশ হারে বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এই পূর্বাভাসে ভোগব্যয় ও বিনিয়োগের পুনরুদ্ধার প্রতিফলিত হয়েছে, যা সাধারণ নির্বাচনের পর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমে আসার ফলে সম্ভব হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত অস্থায়ী সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্ন গত ত্রৈমাসিকে অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে প্রভাবিত করলেও, এর প্রভাব ধীরে ধীরে কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে একটি কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যা বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং বহির্বাণিজ্য ও আর্থিক খাতের চাপ দ্বারা প্রভাবিত।’


তিনি আরও বলেন, ‘নতুন সরকারের সংস্কার কর্মসূচি সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বেসরকারি খাতের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তার জন্য একটি সময়োপযোগী সুযোগ তৈরি করেছে। যথাযথ নীতি ও ধারাবাহিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতি আরও স্থিতিস্থাপক হবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির পথে ফিরে যেতে পারবে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯.০ শতাংশের কাছাকাছি উচ্চ অবস্থানে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে উচ্চ বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য এবং চলমান সরবরাহ বিঘ্ন। আগামী অর্থবছরে এটি কিছুটা কমে ৮.৫ শতাংশে নেমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ বাহ্যিক চাপ কমবে এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।


এডিবির মনে করছে, চলতি হিসাবের ঘাটতি অর্থবছরে জিডিপির ০.৫ শতাংশ হবে, যা আগামী অর্থবছরে সামান্য বেড়ে ০.৬ শতাংশ হতে পারে। এর প্রধান কারণ হবে আমদানি বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য ঘাটতির প্রসার। তবে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ স্বল্পমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এডিও অনুযায়ী ভোগ ও বিনিয়োগে মাঝারি প্রবৃদ্ধি দেখা যাবে, যা শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং নির্বাচন-পরবর্তী সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে সমর্থিত হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং ব্যবসা সহজীকরণের লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগও এতে সহায়ক হবে।

সরবরাহ দিক থেকে সেবা খাত পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা গৃহস্থালির ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি এবং আর্থিক খাতের সংস্কারের মাধ্যমে ত্বরান্বিত হবে। অনুকূল আবহাওয়া ও নীতিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। রপ্তানি বৃদ্ধি, সরবরাহ বাধা কমে আসা এবং অবকাঠামো ও জ্বালানি খাতে সরকারের জোর দেওয়ার ফলে শিল্প খাতেও প্রবৃদ্ধি বাড়বে।

তবে ঝুঁকি এখনও রয়ে গেছে, বিশেষ করে যদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয়। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, শিপিং রুট এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটলে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়তে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরে মুদ্রাস্ফীতির চাপ আরও বাড়াবে এবং অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণকে জটিল করে তুলবে।

এডিবি মনে করে, উচ্চ জ্বালানি মূল্য বাজেট ঘাটতিও বাড়াতে পারে, বিশেষ করে যদি জ্বালানি ভর্তুকি বাড়ানো হয় বা মূল্য সমন্বয় সঠিকভাবে না করা হয়।


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo