সর্বশেষ:
News Image চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি : মির্জা আব্বাস News Image ভারতে নিপাহ ভাইরাস আতঙ্ক, এশিয়াজুড়ে সতর্কতা News Image নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ফের ডিম নিক্ষেপ News Image একাত্তরের বন্ধু বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি মারা গেছেন News Image গ্রেটার নোয়াখালীর সাথে রয়েছে একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক: তারেক রহমান News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম

মোট পঠিত: ১৩

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনর্ভর্তি ফি নিষিদ্ধ করল মন্ত্রণালয়

Babul K.
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনর্ভর্তি ফি নিষিদ্ধ করল মন্ত্রণালয়
শিক্ষা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম ও লুটপাট বন্ধে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। এর অংশ হিসেবে টিউশন ফি, ভর্তি ও বোর্ড পরীক্ষার ফিসহ সব ধরনের আয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তি থাকা কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় কোনো ‘পুনর্ভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এই নীতিমালা চূড়ান্ত করা হলেও সম্প্রতি এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেকোনো আর্থিক অনিয়মের জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক) যৌথভাবে দায়ী থাকবেন। এমনকি দায়িত্ব ছাড়ার পরেও ওই সময়ের কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা আর্থিক বিধি লঙ্ঘন করলে তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে এবং এর ফলে তাদের এমপিও স্থগিত বা বরখাস্ত পর্যন্ত করা হতে পারে। এছাড়া অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিও বাতিল করতে পারবে সরকার।

নতুন এই নীতিমালার অন্যতম প্রধান দিক হলো নগদ লেনদেন বন্ধ করা। এখন থেকে শিক্ষার্থীদের সকল প্রকার ফি ও প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয় সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (এসপিজি) বা সরকারি ব্যাংকের অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে আদায় করতে হবে। জরুরি প্রয়োজন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই নগদ টাকা গ্রহণ করা যাবে না। যদি নগদ টাকা গ্রহণ করা হয়, তবে তা পরবর্তী দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে। এছাড়া একবার ভর্তিকৃত কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পরবর্তী শ্রেণিতে ওঠার সময় ‘পুনর্ভর্তি ফি’ নেওয়া যাবে না বলে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইমপ্রেস্ট ফান্ড বা খুচরা নগদ তহবিলের ঊর্ধ্বসীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ধরন ও শিক্ষার্থী সংখ্যার ভিত্তিতে প্রতি মাসে ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ খরচ করা যাবে। তবে একক কোনো ভাউচারে ২৫ হাজার টাকার বেশি নগদ খরচ করা যাবে না। এর অতিরিক্ত যেকোনো ব্যয় অবশ্যই ক্রস চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

আর্থিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অর্থ, ক্রয়, উন্নয়ন, টিউশন ফি ও সেশন চার্জ আদায়, অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা কার্যক্রম মূল্যায়ন এবং অভ্যন্তরীণ অডিট– এই ছয়টি উপকমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কমিটিগুলো নিয়মিত সভা করবে ও তাদের প্রতিবেদন পরিচালনা কমিটির কাছে জমা দেবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, পরিবীক্ষণ ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) একটি অনলাইন ভিত্তিক ‘ই-ক্যাশ বুক’ সিস্টেম তৈরি করবে। প্রতিষ্ঠানের সব ভাউচার এই সিস্টেমে এন্ট্রি করতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের মানবিক প্রয়োজনে (চিকিৎসা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ) সর্বোচ্চ ৬ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ টাকা অগ্রিম বা ঋণ হিসেবে দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা পরে কিস্তিতে বেতন থেকে সমন্বয় করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই নতুন নীতিমালায় ২০২৩ সালেজারি করা এ সংক্রান্ত আগের নীতিমালাটি রহিত করা হয়েছে।


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo