সর্বশেষ:
News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন News Image গণমাধ্যমে ঈদের ছুটি ৫ দিন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের দাবি News Image কেবল সাংবাদিকরাই পাবেন অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড : প্রেস সচিব News Image দীপ্ত টিভির সংবাদ প্রচার বন্ধ, ৩ সাংবাদিক চাকরিচ্যুত News Image ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেলেন শফিক রেহমান News Image বিচার নিয়ে এখনও অন্ধকারে সাগর-রুনির পরিবার
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
১৬ জানুয়ারি ২০২৪, ০৭:১১ এএম

মোট পঠিত: ২৮০

ভোট সুষ্ঠু হয়নি, আমার কাছে প্রমাণ আছে: জি এম কাদের

Babul K.
ভোট সুষ্ঠু হয়নি, আমার কাছে প্রমাণ আছে: জি এম কাদের
রাজনীতি

৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ভরাডুবির পর জাতীয় পার্টিতে অস্থিরতা চলছে। লাঙ্গলের পরাজিত প্রার্থীরা অভিযোগ করছেন, নির্বাচনে অংশ নিয়ে সরকারের কাছ থেকে টাকা পেয়েছে জাতীয় পার্টি। প্রার্থীদের সেই টাকা না দিয়ে নিজেরা ভাগ করে নিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরসহ শীর্ষ নেতারা। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করেন জি এম কাদের। একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।

জি এম কাদের বলেন, সমঝোতার ২৬ আসন ছাড়া সব জায়গায় সরকারি দল ভোট ছিনিয়ে নিয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি, সাক্ষী আছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ১১ আসন পাওয়া দলের সফলতা। তিনি বলেন, যেখানে বিএনপিসহ অন্য কোনো দল টিকতেই পারছে না, সেখানে ১১ আসন পাওয়া কম কথা নয়।

তিনি বলেন, কোনো জোটে যাইনি। কোনো আসন ভাগাভাগি হয়নি। সরকারি দল যখন বলল, আপনারা নির্বাচনে আসেন, তখন আমাদের (জাপার) প্রতিনিধি সেখানে গেছেন। প্রতিনিধিরা ব্রিফ করেছেন আমাদের। দলের অন্যদের জানিয়েছি কী কথা হচ্ছে। জাতীয় পার্টি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চেয়েছিল। তাদের (সরকারি দল) তখন বলেছি, আপনারা যেভাবে চাইছেন, সেভাবে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। আমাদের দরকার ছিল দলীয়করণ যেন না হয়। সরকারি দল বিপুল অর্থ ও পেশিশক্তি নিয়ে মাঠে নামবে, যা রোধ করার শক্তি আমাদের নেই। তারা জোর করে ভোট দখল করে ফেলবে। এটা আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি।

‘তখন তারা (আওয়ামী লীগ) একটি ফর্মুলা দিল। তারা অনেক জায়গা থেকে তাদের প্রার্থী উঠিয়ে নেবে। নৌকার প্রার্থী থাকবে না। একই সঙ্গে বলল, তাদের স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে। তারা কিন্তু বিদ্রোহী প্রার্থী নয়। তাদের আওয়ামী লীগের পদপদবি সবই থাকবে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীও তাদের সঙ্গে থাকবে, শুধু নৌকা প্রতীক থাকবে না। এভাবে প্রস্তাব দিয়ে বলেছিল, ‘বাকিটা আমরা দেখব। যেসব আসন আপনারা (জাপা) চাইছেন, এর বাইরেও যদি লাঙ্গলের প্রার্থী থাকে, তাদের জন্য স্পেশাল কেয়ার নেব। সেখানে যেন পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন না হয়। এটা ছিল সমঝোতা। এর ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের কাছে ৫০-৬০টি আসনের কথা বলেছিলাম। তাদের বলেছিলাম, ‘এগুলো থেকে নৌকার প্রার্থী সরিয়ে নেন, তাহলে আমরা লড়াই করে জিতে আসব। এরপর আওয়ামী লীগ যে ২৬ আসন ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছিল, তা ৫০-৬০টির যে কয়টি ভালো মনে করেছে তা দিয়েছে। তাদের যেগুলো পছন্দ হয়েছে, সেগুলোই দিয়েছে,’ যোগ করেন জি এম কাদের।

তিনি আরও বলেন, আমরা আরও কিছু বেশি আসন চেয়েছিলাম। তখন বলা হলো, তালিকা দিন। আমি ১০-১৫টি আসনের তালিকা দিয়েছিলাম। যারা যারা এখন অভিযোগ করছেন, তাদের আসনও ছিল তালিকায়। তারা তা জানতেন। সরকারি দল থেকে তখন আমাকে বলা হলো, এগুলো বিবেচনা করা হবে। প্রথম তারা জানাল, আমার স্ত্রীর জন্য ঢাকা-১৮ আসন দিয়ে দিয়েছে। তখন আমি বারবার বলেছি, বাকিগুলোর কী হবে। তখন তারা বলেছে, ‘যেখান থেকে সিদ্ধান্ত হবে, সেখানে কথা হচ্ছে। এটা হয়ে যাবে। আপনি চিন্তা করবেন না। যারা এগুলো বলেছিল, তারা আমার সামনেই বসা ছিল। কিন্তু তারপর যখন বিকেলে (১৭ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে) তালিকা বের হলো, তখন দেখা গেল আমার স্ত্রীর আসন আছে, কিন্তু লালমনিরহাট-৩ আসন নেই। আমি এই আসনের বর্তমান এমপি। সেই আসন থেকে নৌকার প্রার্থী প্রত্যাহারের কথা ছিল। কিন্তু লালমনিরহাট-৩ বাদ দিয়ে আমার স্ত্রীর আসন ঢুকিয়ে দেয়া হলো তালিকায়। ততক্ষণে সময়ও শেষ।


জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, জাতীয় পার্টিকে ছাড় দেয়া হয়েছে। কিন্তু যেসব আসন দেয়া হয়েছে, এর অনেকগুলো জাতীয় পার্টি চায়নি। এগুলো তারা নিজের ইচ্ছায় দিয়েছে। কাজেই আমাদের কোনো ফেভার করা হয়নি। আমার সামনেই জাপার ছাড় না পাওয়া প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়, আপনাদের সুষ্ঠু নির্বাচনের সুযোগ দেয়া হবে। আপনাদের কোনো ডিস্টার্ব করা হবে না।


তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে লালমনিরহাট-৩ আসনের সব ক’টি ভোটকেন্দ্র দখল করে নিলো। এর তিন-চার দিন আগে থেকে জাপার প্রার্থীকে মেরে আহত করা হলো। সব অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু ডিসি-এসপিরা কোনো সহযোগিতা করেননি। নির্বাচনের দিন জাতীয় পার্টির এজেন্ট বের করে দিয়ে জোর করে সিল মেরেছে। যেখানে এজেন্টরা ধরতে গেছে, সেখানে পুলিশ বাধা দিয়েছে। জাতীয় পার্টির এজেন্টদের বেঁধে রেখেছে। এগুলোর সব প্রমাণ আছে।


জি এম কাদের আরও বলেন, ঢাকা-১৮ আসনে এসে যা শুনলাম, ৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েনি। একজন আমাকে বলল, ভোট দিতে গিয়েছিলাম। গিয়ে শুনি ভোট দেয়া হয়ে গেছে। আধা ঘণ্টা দাঁড়িয়েছিলাম, একজন এসে ভোট দিয়েছে। ২টার পর সব কেন্দ্র দখল করে তারা সিল মেরেছে। 


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo