সর্বশেষ:
News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন News Image গণমাধ্যমে ঈদের ছুটি ৫ দিন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের দাবি News Image কেবল সাংবাদিকরাই পাবেন অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড : প্রেস সচিব News Image দীপ্ত টিভির সংবাদ প্রচার বন্ধ, ৩ সাংবাদিক চাকরিচ্যুত News Image ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেলেন শফিক রেহমান News Image বিচার নিয়ে এখনও অন্ধকারে সাগর-রুনির পরিবার
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:৩১ এএম

মোট পঠিত: ২৫৯

টাকার সংকটে পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের লেনদেন সেবা বন্ধের উপক্রম

Babul K.
টাকার সংকটে পাঁচ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের লেনদেন সেবা বন্ধের উপক্রম
অর্থনীতি

টাকার ঘাটতির কারণে দেশের শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন সেবা বন্ধের উপক্রম হয়েছে। এসব ব্যাংককে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের চলতি হিসাবের স্থিতি ঋণাত্মক। বিষয়টি বারবার অবহিত করার পরও ব্যাংকগুলো উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি হিসাবের ঋণাত্মক স্থিতি সমন্বয়ের জন্য ২০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে।


বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ২০ দিনের মধ্যে চলতি হিসাবের ঋণাত্মক স্থিতি সমন্বয় না করা হলে ক্লিয়ারিং বা নিষ্পত্তি ব্যবস্থা থেকে ব্যাংকগুলোকে বিরত রাখা হবে। যেসব ব্যাংককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। গত ২৮ নভেম্বর ব্যাংক পাঁচটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের এ চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চলতি হিসাবের স্থিতি ঋণাত্মক থাকলেও এসব ব্যাংককে এখন নিয়মিত টাকা ধার দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো গ্রাহক তাদের জমানো টাকা তুলতে ব্যর্থ না হন।


এদিকে এক বছর ধরে তারল্যসংকটে ভুগছে ইসলামি ধারার এ পাঁচ ব্যাংক। এসব ব্যাংকে আমানত বাড়লেও চাহিদামতো নগদ জমা (সিআরআর) ও বিধিবদ্ধ জমার (এসএলআর) টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখছে না। ফলে নিয়মিত দণ্ড সুদ বা জরিমানা গুনতে হচ্ছে। আবার এই জরিমানার টাকাও দিচ্ছে না কেউ কেউ।


এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক সরাসরি কোনো কথা বলতে চাননি। তবে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো চিঠি দিয়ে থাকলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে। তারল্যসংকটে পড়া ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিভিন্নভাবে টাকা ধার নিয়ে থাকে। এরপর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তারল্য জমা রাখতে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও পদক্ষেপ নিতে পারে। ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোর তারল্য ব্যবস্থাপনায় কাঠামোগত সমস্যা আছে, এ জন্য কয়েকটি ব্যাংককে নভেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছিল।


চিঠিতে যা বলা হয়েছে

নিয়ম অনুযায়ী, দেশের প্রতিটি ব্যাংককে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয়ের সঙ্গে একটি চলতি হিসাব সংরক্ষণ করতে হয়। এই হিসাব থেকে সব লেনদেন নিষ্পত্তি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি সিআরআরের টাকাও থাকে এই হিসাবে।


ব্যাংক পাঁচটিকে দেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘মতিঝিল কার্যালয়ের ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট বিভাগে রক্ষিত আপনাদের চলতি হিসাবের মাধ্যমে বিভিন্ন লেনদেন নিষ্পত্তি, যেমন চেক ক্লিয়ারিং সেবা (বিএসিপিএস), অনলাইন অর্থ স্থানান্তর (বিইএফটিএন), এটিএম ও ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে অন্য ব্যাংক থেকে সেবা গ্রহণ (এনপিএসবি) ও তাৎক্ষণিক অর্থ স্থানান্তর (আরটিজিএস) সেবার লেনদেন সম্পন্ন হয়ে থাকে। আপনাদের চলতি হিসাবের স্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে চলতি হিসাবের স্থিতি দীর্ঘদিন যাবৎ ঋণাত্মক, যা স্বাভাবিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’


চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পত্রপ্রাপ্তির ২০ কর্মদিবসের মধ্যে আবশ্যিকভাবে চলতি হিসাবের ঋণাত্মক স্থিতি সমন্বয়ের পরামর্শ প্রদান করা হলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ সমন্বয়ে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে সম্পাদিত ‘লেনদেন নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত হিসাবে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ সংরক্ষণ’ চুক্তি অনুযায়ী সব বা নির্দিষ্ট কোনো নিষ্পত্তি ব্যবস্থা থেকে ব্যাংকগুলোকে বিরত রাখা হবে। অর্থাৎ এই পাঁচ ব্যাংকের চেক ক্লিয়ারিং, এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং সেবা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। জানা গেছে, গত বুধবার পর্যন্ত পাঁচটি ব্যাংক এই হিসাবের ঋণাত্মক স্থিতি সমন্বয় করেনি।


এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে গত নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ‘আশা করছি, সংকট নভেম্বরের মধ্যে দূর হয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চাহিদামতো টাকা জমা রাখা সম্ভব হবে।’


ইসলামী ব্যাংকের পাশাপাশি অন্য চার ব্যাংকের এমডির সঙ্গেও এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু তাদের কেউই ফোন ধরেননি।


বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে তাদের আমানতের ৪ শতাংশ সিআরআর হিসেবে চলতি হিসাবে সংরক্ষণ করতে হয়। মূলত আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ বিধানের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকে আমানতের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রাখতে হয়। উল্লেখিত পাঁচ ব্যাংকের কোনটি নির্দিষ্ট হারে সিআরআর রাখতে পারছে না।- প্রথম আলো


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo