সর্বশেষ:
News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন News Image গণমাধ্যমে ঈদের ছুটি ৫ দিন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের দাবি News Image কেবল সাংবাদিকরাই পাবেন অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড : প্রেস সচিব News Image দীপ্ত টিভির সংবাদ প্রচার বন্ধ, ৩ সাংবাদিক চাকরিচ্যুত News Image ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেলেন শফিক রেহমান News Image বিচার নিয়ে এখনও অন্ধকারে সাগর-রুনির পরিবার
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
২৭ জানুয়ারি ২০২৫, ১২:২৪ এএম

মোট পঠিত: ২১৩

কিবরিয়া হত্যায় সালমান এফ রহমানকে ‍দুষলেন রেজা কিবরিয়া

Babul K.
কিবরিয়া হত্যায় সালমান এফ রহমানকে ‍দুষলেন রেজা কিবরিয়া
রাজনীতি

 সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে সালমান এফ রহমানসহ আওয়ামী লীগের চারজন ও বিএনপির এক নেতার জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন গণফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) হত্যাকাণ্ডের ২০ বছর উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।

কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া যে পাঁচজনের নাম বলেন তারা হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, কিবরিয়া হত্যা মামলার বাদী ও সাবেক এমপি মো. আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. আবু জাহির, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মুশফিক হুসেন চৌধুরী এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ।

রেজা কিবরিয়া বলেন, সালমান এফ রহমান নিজের দুর্নীতি আড়াল করতে আমার বাবাকে হত্যা করিয়েছেন। আওয়ামী লীগের এই নেতারা শেখ হাসিনার আস্থাভাজন। এজন্য সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হয়নি। আমরা সেই বিচারের অপেক্ষায় থাকলাম।

ভিডিওতে রেজা কিবরিয়া আরও বলেন, ৭৩ বছর বয়সী শাহ এএমএস কিবরিয়াকে শরীরে গ্রেনেডের ৪শ স্প্লিন্টার বিদ্ধ অবস্থায় ভাঙা অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয় এবং মাঝপথে তিনি মারা যান। কিবরিয়ার পরিবার দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সুষ্ঠু তদন্তের অপেক্ষা করছে। আওয়ামী লীগের আমলে তা হয়নি। কারণ আওয়ামী লীগের নেতারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল।

যদিও এ অভিযোগ মিথ্যা উল্লেখ করে জিকে গউছ বলেছেন, আমার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিকভাবে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য রেজা কিবরিয়াকে দিয়ে এ কথাগুলো বলানো হচ্ছে। এটি তার ব্যক্তিগত অভিমত। সঠিক তদন্ত হলেই বের হয়ে আসবে কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত।


সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া ২০০১ সালে হবিগঞ্জ-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন।


২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে একটি জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলায় গুরুতর আহত হন কিবরিয়া। চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।  


ওই ঘটনায় কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা, আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী নিহত হন। আহত হন আরও ৭০ জন। ঘটনার পরদিন হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা হয়।  


আদালত সূত্র জানায়, মামলা দুটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তর করা হয়। তদন্ত শেষে ২০০৫ সালে ১৮ মার্চ শহীদ জিয়া স্মৃতি ও গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল কাইউমসহ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। এ অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করে বাদীপক্ষ। পরে মামলার পুনঃতদন্তের পর ২০১১ সালের ২০ জুন আসামির সংখ্যা ১৬ বাড়িয়ে ২৬ জনের নামে দ্বিতীয় দফা অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। এটি নিয়েও আপত্তি জানায় নিহত ব্যক্তির পরিবার।  


সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১৩ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। এতে নতুন করে লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপি নেতা ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৩৫ জনকে আসামি করা হয়। পরে ২০১৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।


তবে দেড় যুগেও কিবরিয়া হত্যা মামলার বিচারকাজ শেষ হয়নি। নিয়মিত সাক্ষী হাজির না হওয়া, বার বার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পেছানোর কারণে বিচারকাজ প্রলম্বিত হয়েছে এমনটি বলেছেন সরকারি কৌঁসুলিরা।


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo