সর্বশেষ:
News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন News Image গণমাধ্যমে ঈদের ছুটি ৫ দিন ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের দাবি News Image কেবল সাংবাদিকরাই পাবেন অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড : প্রেস সচিব News Image দীপ্ত টিভির সংবাদ প্রচার বন্ধ, ৩ সাংবাদিক চাকরিচ্যুত News Image ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেলেন শফিক রেহমান News Image বিচার নিয়ে এখনও অন্ধকারে সাগর-রুনির পরিবার
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
০৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৪১ এএম

মোট পঠিত: ২৫১

গরমের সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং, গ্রামে ভোগান্তি বেশি

Babul K.
গরমের সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং, গ্রামে ভোগান্তি বেশি
শীর্ষ খবর

দেশজুড়ে মৃদু তাপপ্রবাহ চলছে। তাপমাত্রা উঠেছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। অতিরিক্ত গরমে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং। তবে শহরের তুলনায় গ্রামে দুর্ভোগ বেশি। শীতকাল শেষ হতে না হতে এখনই অনেক এলাকায় ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। রোজায় তীব্র গরমের সঙ্গে বিদ্যুতের ভোগান্তি জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে।


পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির তথ্যমতে, এখন দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ হাজার মেগাওয়াট। সর্বোচ্চ উৎপাদন হচ্ছে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। যদিও দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৬ হাজার মেগাওয়াট। জ্বালানি সংকটে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তাই লোডশেডিং করে ঘাটতি সামলাতে হচ্ছে।


বিতরণ কোম্পানিগুলো থেকে জানা যায়, দেশে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। এ জন্য গ্রামগঞ্জে লোডশেডিং বেড়েছে বেশি। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রংপুরে অপেক্ষাকৃত বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। চট্টগ্রামেও লোডশেডিং বেড়েছে। তুলনামূলক লোডশেডিং কম বরিশাল বিভাগে।


ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় মঙ্গলবার রাতেই অন্তত ছয়বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টার মধ্যে ৪ ঘণ্টাই ছিল লোডশেডিং। পৌর এলাকার বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, গরমের শুরুতেই বিদ্যুৎ ঝামেলা শুরু হয়েছে। লোডশেডিংয়ের কারণে শিশুসন্তানকে নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।


পিডিবির উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ মামুন বলেন, বর্তমানে এ উপজেলায় চাহিদা আছে সাড়ে ৮ মেগাওয়াট, এর মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে চার মেগাওয়াট। চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়ায় এক ঘণ্টা পরপর দুটি করে ফিডার বন্ধ ও চালু রাখা হচ্ছে।


খুলনা বিভাগের ১০ জেলা, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা এবং বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো)। এসব এলাকায় গত মঙ্গলবার রাতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬৬৬ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৬০৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল ৬২ মেগাওয়াট।


বগুড়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম ৩০ শতাংশ। ফলে তিন-চার ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। জানতে চাইলে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, গ্যাস সরবরাহ কম হওয়ায় বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গ্যাস সরবরাহ কমায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন কম হয়েছে। তবে দুই-এক দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে দাবি তাঁর।


দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা এখন ১২ হাজার ২২৬ মেগাওয়াট। এ জন্য দৈনিক অন্তত ২৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। তবে সরবরাহ করা হচ্ছে ৮৭-৮৮ কোটি ঘনফুট। এতে গড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াট। গ্রীষ্মে পিডিবি অন্তত ১৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের দাবি জানিয়েছে পেট্রোবাংলাকে।


এ ছাড়া তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সম্মিলিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৬ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। খরচ বেশি বলে তেলভিত্তিক কেন্দ্র কম চালানো হয়। গরমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ঘাটতি কমাতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন বেশি চালাতে হচ্ছে। এতে পিডিবির খরচ বেড়েছে। তবে এখানেও জ্বালানির সংকট রয়েছে। বেসরকারি খাতের তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তেল আমদানির জন্য পর্যাপ্ত ডলার পাচ্ছে না। পিডিবির কাছে বড় অঙ্কের বকেয়া পড়েছে তাদের।


দেশজুড়ে মৃদু তাপপ্রবাহ চলছে। তাপমাত্রা উঠেছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। অতিরিক্ত গরমে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং। তবে শহরের তুলনায় গ্রামে দুর্ভোগ বেশি। শীতকাল শেষ হতে না হতে এখনই অনেক এলাকায় ৬-৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। রোজায় তীব্র গরমের সঙ্গে বিদ্যুতের ভোগান্তি জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে।


পাওয়ার গ্রিড কোম্পানির তথ্যমতে, এখন দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ হাজার মেগাওয়াট। সর্বোচ্চ উৎপাদন হচ্ছে ১৪ হাজার মেগাওয়াট। যদিও দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৬ হাজার মেগাওয়াট। জ্বালানি সংকটে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তাই লোডশেডিং করে ঘাটতি সামলাতে হচ্ছে।


বিতরণ কোম্পানিগুলো থেকে জানা যায়, দেশে প্রতিদিন প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) ঘাটতি সবচেয়ে বেশি। এ জন্য গ্রামগঞ্জে লোডশেডিং বেড়েছে বেশি। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রংপুরে অপেক্ষাকৃত বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। চট্টগ্রামেও লোডশেডিং বেড়েছে। তুলনামূলক লোডশেডিং কম বরিশাল বিভাগে।


ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় মঙ্গলবার রাতেই অন্তত ছয়বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টার মধ্যে ৪ ঘণ্টাই ছিল লোডশেডিং। পৌর এলাকার বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, গরমের শুরুতেই বিদ্যুৎ ঝামেলা শুরু হয়েছে। লোডশেডিংয়ের কারণে শিশুসন্তানকে নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।


পিডিবির উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ মামুন বলেন, বর্তমানে এ উপজেলায় চাহিদা আছে সাড়ে ৮ মেগাওয়াট, এর মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে চার মেগাওয়াট। চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়ায় এক ঘণ্টা পরপর দুটি করে ফিডার বন্ধ ও চালু রাখা হচ্ছে।


খুলনা বিভাগের ১০ জেলা, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলা এবং বৃহত্তর ফরিদপুরের ৫ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো)। এসব এলাকায় গত মঙ্গলবার রাতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৬৬৬ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৬০৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল ৬২ মেগাওয়াট।


বগুড়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম ৩০ শতাংশ। ফলে তিন-চার ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। জানতে চাইলে পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, গ্যাস সরবরাহ কম হওয়ায় বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গ্যাস সরবরাহ কমায় ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন কম হয়েছে। তবে দুই-এক দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে দাবি তাঁর।


দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা এখন ১২ হাজার ২২৬ মেগাওয়াট। এ জন্য দৈনিক অন্তত ২৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। তবে সরবরাহ করা হচ্ছে ৮৭-৮৮ কোটি ঘনফুট। এতে গড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াট। গ্রীষ্মে পিডিবি অন্তত ১৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের দাবি জানিয়েছে পেট্রোবাংলাকে।


এ ছাড়া তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সম্মিলিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৬ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। খরচ বেশি বলে তেলভিত্তিক কেন্দ্র কম চালানো হয়। গরমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ ঘাটতি কমাতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন বেশি চালাতে হচ্ছে। এতে পিডিবির খরচ বেড়েছে। তবে এখানেও জ্বালানির সংকট রয়েছে। বেসরকারি খাতের তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তেল আমদানির জন্য পর্যাপ্ত ডলার পাচ্ছে না। পিডিবির কাছে বড় অঙ্কের বকেয়া পড়েছে তাদের।


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo