এশীয় দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত ‘কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়া’ (CICA)-এর সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ‘সিকা’-কে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক সংস্থায় রূপান্তরের বিষয়ে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সংস্থার একটি সুনির্দিষ্ট আইনি মর্যাদা, শক্তিশালী সচিবালয়, নিয়মিত অর্থায়ন ব্যবস্থা এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া থাকা প্রয়োজন।
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থবহ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফলাফল ভিত্তিক খাতভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সেগুলোর নিয়মিত তদারকির জন্য আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তাব দেন তিনি। এ ছাড়া, তিনি বিভিন্ন অংশীজনের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য সরাসরি উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আইসিটি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিনিময় জোরদার করা এবং আইসিটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি নিরাপদ, উন্মুক্ত ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল পরিবেশ তৈরির জন্য আস্থা-নির্মাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাব করেন।
আজারবাইজানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এবারের সপ্তম ‘সিকা’ শীর্ষ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হলো— ‘একটি শক্তিশালী সিকা: এশিয়ায় সংযোগ, ডিজিটালাইজেশন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি’। এই প্রতিপাদ্যটি এশিয়ার জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রতিফলিত করে।
সম্মেলন চলাকালে লাও পিডিআর এই প্যান-এশীয় ফোরামের ২৯তম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ফোরামটি এশিয়া জুড়ে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যে কাজ করে।
এ ছাড়া, শীর্ষ সম্মেলনে ২০২৬-২৮ মেয়াদের জন্য আজারবাইজানের সভাপতিত্বকে অনুমোদন দেয়া হয় এবং সুলতান হাজিয়েভকে ‘সিকা’-এর পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য