সর্বশেষ:
News Image চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছি, এটিও নাকি হুমকি : মির্জা আব্বাস News Image ভারতে নিপাহ ভাইরাস আতঙ্ক, এশিয়াজুড়ে সতর্কতা News Image নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ফের ডিম নিক্ষেপ News Image একাত্তরের বন্ধু বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি মারা গেছেন News Image গ্রেটার নোয়াখালীর সাথে রয়েছে একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক: তারেক রহমান News Image মালদ্বীপকে হারিয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ News Image দেশে ষড়যন্ত্র চলছে সকলে সজাগ থাকবেন: তারেক রহমান News Image শিরককারী-মুনাফেকদের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হবে: তারেক রহমান News Image তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজর পড়বেন: তারেক রহমান News Image এই দেশে কোনো বিধর্মী সংসদ প্রতিনিধি থাকতে পারে না News Image পেট্রোলবোমায় ৮ যাত্রী হত্যার আসামি আ.লীগ নেতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু জামায়াত নেতা তাহেরের News Image সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে : সেনাপ্রধান News Image ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি: প্রেস সচিব News Image সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১,৯৮১ জন প্রার্থী News Image বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করল ইরান News Image বিশ্ব গণমাধ্যমে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের খবর News Image পুরনো নিয়মেই নতুন দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিল অন্তর্বর্তী সরকার News Image শাহজালালে সাংবাদিকদের সঙ্গে এনসিপির দুর্ব্যবহার, বর্জন সংবাদ সম্মেলন News Image স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটিভি-বাংলাদেশ বেতার News Image সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন
Babul K.

প্রধান প্রতিবেদক


প্রকাশিত :
২৫ মার্চ ২০২৪, ০৬:১৬ এএম

মোট পঠিত: ২৮৪

বাংলাদেশের মানুষ কোনো দেশের প্রভুত্ব মেনে নেবে না: মির্জা আলমগীর

Babul K.
বাংলাদেশের মানুষ কোনো দেশের প্রভুত্ব মেনে নেবে না: মির্জা আলমগীর
রাজনীতি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ফকির আলমগীরের একটি গান আছে, দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারো দানে পাওয়া নয়। আমরা রক্তের দাম দিয়ে এই বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। কারো দয়ার বাংলাদেশ স্বাধীন হয় নাই। আজকে সেই বোধ নিয়ে রুখে দাঁড়ান। আন্তর্জাতিক বিশ্ব নিশ্চয় সেই বিষয়গুলো দেখবে। দেখেছে অতীতে। আর কোনো দেশ যদি মনে করে আমাদের উপর প্রভুত্ব করবে, বাংলাদেশের মানুষ কোনোদিন সেই প্রভুত্ব স্বীকার করেনি। মুঘল আমলেও করেনি, ব্রিটিশ আমলেও করেনি এবং পাকিস্তানের আমলেও করেনি। এখনো করবে না।


সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে এই সমাবেশ শুরু হয়।


শেষ হয় বেলা ১২টায়। সমাবেশের ব্যানারের নিচে লাল ও কালো রঙে বাংলা এবং ইরাজিতে লেখা ছিলো 'ভারতীয় পণ্য বর্জন করুন'।

আন্দোলন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, গত দুই বছরে আমাদের ২২ জন নেতাকর্মী রাজপথে প্রাণ দিয়েছেন। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। অনেকের হাত ও পা ভেঙে দিয়েছে। ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা দরজা বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। সুতরাং মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নামতে হবে। মানুষকে সঙ্গে নিয়ে না নামলে আপনারা জয়ী হতে পারবেন না। শ্রমিক ও ছাত্রদের নামাতে হবে। সেদিনই হবে সফল গণঅভ্যুত্থান, সফল বিস্ফোরণ এবং বিজয়।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার এবং প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নেতাকর্মীদের পরামর্শ দেন তিনি।


তিনি বলেন, আজকে জোর করে এই যে দখলদারি একটা রেজিম, শাসকগোষ্ঠী বাংলাদেশের মানুষের বুকের উপরে চেপে বসে আছে। এদের কোনো নৈতিক অধিকার নেই, এদের কোনো সাংবিধানিক অধিকার নেই এই চেয়ারগুলোতে বসে থাকার। এরা বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে ১৯৭৫ সালেও প্রতারণা করেছিলো। বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলো। আজকে আবার ভিন্ন কায়দায় ছদ্মবেশে মুখে গণণতন্ত্রের কথা বলে একটা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চাপিয়ে দিয়েছে। আজকের অবস্থা আরও ভয়াবহ। এই আপনারা মোবাইল ব্যবহার করছেন। মোবাইলের যে টেকনোলজি, এটাকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যা কিছু করে তা তারা দেখতে পায়। শুনতে পায়। ফলে যখন বাংলাদেশের কোনো মানুষ কথা বলতে চায়, প্রতিবাদ করতে চায়, বিপ্লব করতে চায় এবং ঘুরে দাঁড়াতে চায় তখনই তাকে তুলে ফেলে।


ফখরুল বলেন, ১৪ সালের নির্বাচনে তারা (আওয়ামী লীগ সরকার) বিরোধী দলকে আসতে দেয়নি। অত্যন্ত সুকৌশলে ১৮ সালে দিনের ভোট রাতে করে মানুষের মতামতকে কেড়ে নিয়েছে। আর এবার আরও চমৎকার নাটক করেছে। নিজেরা নিজেরাই নির্বাচন করেছে। ডামি প্রার্থী দাঁড় করিয়েছে। যারা বিরোধী দল বলে দাবি করে তাদের আসন বন্টন করে একটা নির্বাচন করেছে! যে নির্বাচনকে কেউ গ্রহণ করেনি। বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করেনি এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বও গ্রহণ করেনি।


মুক্তিযুদ্ধ করার লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, সংবিধান তৈরি হয়েছে, সেই সংবিধানে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের মালিক বাংলাদেশের জনগণ। কী দুর্ভাগ্য আমাদের, আজকে এই ৫২ বছর পরেও এই বাংলাদেশের মানুষ তাদের মালিকানা হারিয়ে ফেলেছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ তার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করে, তাদের সেই ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। আজকে মানুষ সত্য কথা বলতে চায় এবং মোবাইলে যদি কোন পোস্ট দেয়, এমনকি আকার-ইঙ্গিতেও কথা বললে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, ফজলুর রহমান, ফরহাদ হালিম ডোনার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য ইশরাক হোসেন, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।


খবরটি নিয়ে আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মতামত দিন
০ টি মন্তব্য
Logo